ছবি : সংগৃহীত

বাগেরহাটে সুন্দরবন রক্ষা অভিযাত্রার সমাপনী সুন্দরবন বুক দিয়ে আমাদের রক্ষা করে, তাই তাকে রক্ষায় আমাদেরও বুক পেতে দিতে হবে

যশোর এক্সপ্রেস ডেস্ক: সিপিবি’র কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টামন্ডলীর নেতা কমরেড মঞ্জুরুল আহসান খান বলেছেন, সরকার এখন আর জনগনের উপর নির্ভর করেনা। ভোটার বিহীন নির্বাচন করে সরকার তা প্রমান করেছে। সরকারের পায়ের তলায় এখন মাটি নেই। নিজেরা মারামারি করেই তারা এখন ব্যাস্ত। দেশে শিশু নির্যাতন, নারী নির্যাতন বেড়ে গেছে। এর দিকে তাদের কোন খেয়াল নেই। সুন্দরবন রক্ষার নামে সরকার নিজেই সুন্দরবন ধ্বংস করছে। এই বন বুক দিয়ে আমাদের রক্ষা করে। তাই সুন্দরবনকে রক্ষায় আমাদেরও বুক পেতে দিতে হবে। কোন ভাবেই আমারা সুন্দরবন বিধ্বংসী কোন প্রকল্প হতে দিব না। ‘সুন্দরবন রা অভিযাত্রা’ শেষ দিনে শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে বাগেরহাট শহরের পূরতন কোর্টত্তরে সমাপনী সামাবশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
সিপিবি’র কেন্দ্রিয় কন্ট্রোল কমিশনের সদস্য কাজী সোহরাব হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অনান্যের মাধ্যে বক্তব্য রাখেন বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড খালেকুজ্জামান, সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য লক্ষ্মী চক্রবর্তী, বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বজলুর রশিদ ফিরোজ, কমিউনিস্ট পার্টি বাগেরহাট জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফররুখ হাসান জুয়েল, রামপাল কৃষি জমি রক্ষা কমিটির আহবায় সুশান্ত দাস, সুন্দরবন রা জাতিয় কমিটির বাগেরহাট শাখার আহবায়ক মনজুরুল ইসলাম প্রমুখ।
সিপিবি ও সুন্দরবন রা জাতীয় কমিটির নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, “সরকারের এক হাতে এখন জাতিসংঘের পুরস্কার, আরেক হাতে সুন্দরবনের মৃত্য পরোয়ানা। সরকার চাইলেও আমরা সুন্দরবন ধ্বংস করতে দিতে পারি না।”
সভা থেকে আগামী ১৯ অক্টোবর ঢাকায় তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বন্দর-বিদ্যুৎ রা জাতীয় কমিটির সামাবেশ এবং ১৪ নভেম্বর সুন্দরবন রক্ষায় জাতীয় কনভেনশনের ঘোষণা করা হয়।
সুন্দরবনের পাশে রামপাল ও ওরিয়নের তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ সুন্দরবন বিধ্বংসী সকল প্রকল্প বাতিল এবং প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশরার দাবিতে সিপিবি ও বাসদের ‘সুন্দরবন রা অভিযাত্রা’ শেষ হয়েছে। ১৩ অক্টোবর বিকালে জাতীয় প্রেসকাবের সামনে সমাবেশ করে এই অভিযাত্র শুরু করে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)। পাঁচ দিনব্যাপী ‘সুন্দরবন রা অভিযাত্র’য় দল দুুটি মানিকগঞ্জ, গোয়ালন্দ, ফরিদপুর, মধূখালী, মাগুরা, ঝিনাইদহ, যশোর, দৌলতপুর, খুলনায় এবং সবশেষ বাগেরহাটে পুরাতন কোর্ট চত্তরের সমাবেশের মধ্যদিয়ে ৫দিনের এই কর্মসূচির শেষ হয়।

Print
883 মোট পাঠক সংখ্যা 1 আজকের পাঠক সংখ্যা

About Jessore Express

Close