প্রতীকি

রাজন হত্যা মামলার রায় ৮ নভেম্বর

যশোর এক্সপ্রেস ডেস্ক: সিলেটে শিশু শেখ সামিউল আলম রাজন (১৩) হত্যা মামলার রায় আগামী ৮ নভেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেছেন সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আকবর হোসেন মৃধা। তৃতীয় দিনের মতো যুক্তিতর্ক শেষে মঙ্গলবার দুপুরে রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত। সকাল ১১টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত এ মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়। সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের এপিপি এ্যাডভোকেট মাসুক আহমদ বলেন, যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বিচারক আগামী ৮ নভেম্বর এ মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছেন। সকালে মামলার কারাবন্দি ১১ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এর আগে রবিবার ও সোমবার দু’দিন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়।

গত ৮ জুলাই সিলেটের কুমারগাঁওয়ে চোর অপবাদ দিয়ে শিশু রাজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। রাজনকে নির্যাতনের দৃশ্য ভিডিও ধারণ করে ঘাতকরা ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়। এ ঘটনায় দেশে-বিদেশে তোলপাড় শুরু হয়। রাজন হত্যার পর প্রথমে আটক করা হয় কামরুলের ভাই মুহিত আলমকে। এরপর একে একে গ্রেফতার হয় আরও ১০ জনকে। ৮ জুলাই রাজনকে হত্যার পর দুপুরে লাশ গুম করতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে আটক হন মুহিত। এ ঘটনায় কামরুলসহ অভিযুক্তদের নামে মামলা করতে গেলে এসএমপি’র জালালাবাদ থানা পুলিশ শিশু রাজনের বাবার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এমন অভিযোগে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার এসএম রোকন উদ্দিনকে প্রধান করে গত ১৪ জুলাই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। বর্ধিত সময়ে গত ২৪ জুলাই ৪২৪ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন দাখিল করে তদন্ত কমিটি। দায়িত্বে অবহেলার কারণে ওই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) আলমগীর হোসেন, মামলার বাদী উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম ওউপ-পরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেনকে বরখাস্ত করা হয়।

গত ৯ জুলাই সৌদি আরব পালিয়ে যান কামরুল। ১০ জুলাই সেখানে পৌছে আত্মগোপন করেন। এর মধ্যে রাজন হত্যার নির্মম ভিডিওচিত্রে তোলপাড় শুরু হয় বিশ্বব্যাপী। রাজনকে পৈশাচিক কায়দায় নির্যাতনকারী কামরুল সৌদিতে পালিয়ে গেছে এমন খবরে ক্ষোভ বাড়ে সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশীদের মধ্যে। গত ১৩ জুলাই প্রবাসীরা কামরুলকে আটক করে সৌদি পুলিশের হেফাজতে দেন। ইন্টারপোলের মাধ্যমে গত ১৫ অক্টোবর কামরুলকে দেশে নিয়ে আসা হয়।

Print
989 মোট পাঠক সংখ্যা 1 আজকের পাঠক সংখ্যা

About Jessore Express

Close