যেভাবে শুরু ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ট’

এক্সপ্রেস ডেস্ক:  রাজধানীর গুলশান-২ এর ৭৯ নাম্বার সড়কের শেষ প্রান্তে হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে চলছে জিম্মি সংকট। এই সংকটকে ঘিরে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা ছাড়াও শতাধিক সাংবাদিকের রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষা। দুই পুলিশ কর্মকর্তার নিহতের ঘটনায় পুলিশও কিংকর্তব্যবিমূঢ়। কী হতে যাচ্ছে।দেশের ইতিহাসে এমন নজীরবিহীন হামলা ও জিম্মি সংকটের উদ্ধার প্রক্রিয়াই বা কী হবে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীকে অভিযান পরিচালনা করতে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। নির্দেশ পেয়ে ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ট’ পরিচালনার পরিকল্পনা করে সেনাবাহিনী। সেই অনুযায়ী শুক্রবার মধ্যরাত থেকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা আসতে শুরু করেন ৭৯ নাম্বার সড়কে। ঘটনাস্থলে অবস্থানরত অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে। পরে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে নৌ বাহিনী, বিমান বাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও র‌্যাবের সমন্বয়ে অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়।

শনিবার সকাল সোয়া ৭টা। বিশাল বহর নিয়ে সেনাবাহিনীর প্যারা-কমান্ডো বাহিনী ৭৯ নাম্বার সড়ক দিয়ে ঘটনাস্থলে আসে। ৭টা ৪০ মিনিটে শুরু হয় ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ট।’ জঙ্গিরা কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও পরে পালানোর চেষ্টা করে। পালাতে গিয়ে গুলিতে ছয় জঙ্গি ঘটনাস্থলেই মারা যায়। মাত্র ১৩ মিনিটের অভিযানে টার্গেট এলাকার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন প্যারা-কমান্ডোরা। সকাল সাড়ে ৮টায় অভিযানের সফল সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। অভিযানের সময় ঘটনাস্থলে ছিলেন সেনাবাহিনী ও নৌ বাহিনীর প্রধানসহ তিন বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা। প্রায় ১৫ ঘন্টার জিম্মি সংকট শেষ হলেও রেস্তোরাঁটি এখনও ঘিরে রেখেছেন সেনাসদস্যরা।

Print
605 মোট পাঠক সংখ্যা 1 আজকের পাঠক সংখ্যা

About Jessore Express

Close