বেতন-বোনাস দাবিতে যশোরে শ্রমিক বিক্ষোভ, হোটেল বন্ধ

এক্সপ্রেস ডেস্ক: ২০০৯ সালের মজুরি কাঠামো তথা বেতনের সমপরিমাণ বোনাস, ঈদের সাতদিন পরে শ্রমিকদের নিয়োগ ও পরিচয়পত্র প্রদানের দাবিতে মিছিল-সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ হোটেল রেস্টুরেন্ট মিষ্টি বেকারি শ্রমিক ইউনিয়ন। শহরের হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোর বেশিরভাগ বন্ধ করে দিয়েছেন মালিকরা।
বুধবার দুপুরে যশোর শহরের মুজিব সড়কে প্রেসক্লাবের সামনে তারা বিক্ষোভ করে।
সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক তাইজেল ইসলাম ইসলাম জানান, গত ৩০ জুন যশোর জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ সোহেল হাসানের সভাপতিত্বে যশোর হোটেল রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, যশোর হোটেল রেস্তোরাঁ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের দুইজন কর্মকর্তার উপস্থিতিতে যশোর শহরের হোটেল শ্রমিকদের জন্য বর্তমানে শ্রমিক-কর্মচারী যে বেতন পেয়ে থাকেন, সেই প্রাপ্য বেতন থেকে হোটেল সেক্টরে সরকার ঘোষিত ৪০% ঘরভাড়া, ৩০০ টাকা মেডিকেল ও ২০০ টাকা যাতায়াত ভাতা বাদে বাকি প্রাপ্ত মজুরি মূল মজুরি হিসেবে বিবেচনায় তার সমহারে উৎসবভাতা (বোনাস) ও পরিচয়পত্র প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়।
তিনি বলেন, মালিকপক্ষ এই দাবি মেনে নিলেও বোনাস প্রদানের ক্ষেত্রে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত তা কার্যকর করেননি। উপরন্তু বুধবার সকালে বেতনের ৪৫ শতাংশ হারে বোনাস প্রদান করে ‘শতভাগ দেওয়া হয়েছে’ বলে কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নিতে চান। এতে শ্রমিকরা রাজি না হলে হোটেল মালিকরা তাদের স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেন। দুপুরের দিকে শহরের বেশিরভাগ হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ দেখা যায়।
এ ঘটনার প্রতিবাদে শ্রমিকরা দুপুরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং তাদের ন্যায়সঙ্গত দাবি মেনে নেওয়ার দাবি জানান।
এ বিষয়ে জানতে যশোর হোটেল রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ মুকুল হাসান বকুলের সেলফোনে কয়েকদফা চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, যশোর সদরে ৬৪টি হোটেল রেস্তোরাঁ রয়েছে। এতে ১৪ শতাধিক শ্রমিক-কর্মচারী কাজ করেন। এবারের ঈদে প্রশাসনের নির্দেশনা মতে ছয়টি প্রতিষ্ঠান শ্রমিকদের মূল বেতনের সমপরিমাণ বোনাস দিয়েছে।

Print
921 মোট পাঠক সংখ্যা 1 আজকের পাঠক সংখ্যা

About Jessore Express

Close