যশোর আ.লীগে একচ্ছত্র নেতা হতে চলেছেন শাহীন চাকলাদার

যশোর এক্সপ্রেস ডেস্ক: যশোর জেলা আওয়ামী লীগের একচ্ছত্র নেতা হতে চলেছেন শাহীন চাকলাদার। তার নেতৃত্বে জেলা আওয়ামী লীগের সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক পতাকা তলে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন। সকল ভেদাভেদ ভুলে তারা শাহীন চাকলাদারের নেতৃত্বে এক পতাকা তলে আসতে শুরু করেছেন। এর ফলে নেতাকর্মীদের মাঝে দীর্ঘদিনের মনোকষ্ট দুর হচ্ছে। শাহীন চাকলাদারের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও উদারতায় মুগ্ধ হয়ে আওয়ামী লীগের পতাকা তলে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন।

দলীয় সূত্র জানায়, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদার দলীয় নেতাকর্মীদের এক পতাকা তলে নিয়ে আসার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সর্বশেষ তার নেতৃত্বে আনুগত প্রকাশ করে এক সাথে পথ চলতে শুরু করেছেন সাবেক ছাত্রনেতা বর্তমান জেলা যুবলীগের সভাপতি মোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরী, সহ-সভাপতি সৈয়দ মেহেদী হাসান। শনিবার ফরিদ-মেহেদী তাদের অনুসারীদের নিয়ে এক সাথে দলীয় কর্মকান্ড পরিচালনা করবেন বলে জানিয়েছেন।

তাদের অনুসারীরা জানায়, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষুধা-দারিদ্র মুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর সেই স্বপ্ন পূরণে যশোরে শাহীন চাকলাদারের বিকল্প নেই। দলীয় প্রধানের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য তারা শাহীন চাকলাদারের নেতৃত্বে সুসংগঠিত হচ্ছেন। দলীয় নেতাকর্মীরা জানায়, শাহ হাদিউজ্জামান, তবিবর রহমান সর্দার, রওশন আলীর মত নেতাদের মত যোগ্য নেতৃত্ব রয়েছে শাহীন চাকলাদারের। বর্তমান প্রজন্মের কাছে শাহীন চাকলাদারের কোন ব্যক্তি নয় একটি আদর্শ। তিনি সব সময় দলের নেতাকর্মীদেরকে নিজের আপন জন মনে করেন। কেউ কোন বিপদে পড়লে শাহীন চাকলাদার নিজের বিপদ মনে করে তার পক্ষে ঝাপিয়ে পড়েন।

শুধু তাই নয়, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে ও পরে আওয়ামী লীগ সরকারকে উৎক্ষাত করার জন্য যারা ষড়যন্ত্র করেছিল তাদেরকে প্রতিহত করেছে শাহীন চাকলাদার। যে জামায়াত-শিবির পেট্রোল বোমা মেরে ধ্বংসের রাজনীতি করতে চেয়েছিল সে সময় রাজপথে শাহীন চাকলাদারের সাহসী ভূমিকায় তা প্রতিহত হয়। জ্বালাও-পোড়াও রাজনীতির কোন কর্মসূচি আসলে তা প্রতিহত করতে জেলা শহরের পশ্চিমাংশে নেতৃত্বে থাকতেন শাহীন চাকলাদার ও তার অনুসারীরা আর পূর্বাংশে থাকতেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফুল ইসলাম রিয়াদ। সে সময় শাহীন চাকলাদার ও আরিফুল ইসলাম রিয়াদ ছাড়া কোন নেতা রাজপথে দেখা যায়নি। প্রতিদিন শহরে কাঠালতলা ও মণিহার এলাকা থেকে জামায়াত-শিবির বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল দেখেছে জেলাবাসী। যে কারণে যোগ্য নেতা মনে করে গেল জুনে শাহীন চাকলাদারের সাথে এক হয়ে রাজপথে নামেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফুল ইসলাম রিয়াদ।

রিয়াদের দেখানো পথ অনুসরণ করে ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মেহেদী হাসান শাহীন চাকলাদারের নেতৃত্বে অনুসরণ করলেন। তৃর্ণমূল থেকে ওঠে আসা নেতা শাহীন চাকলাদার দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের যশোর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাকের দায়িত্ব পালন করছেন দেড় দশক ধরে। শুধু তাই নয়, অবিভক্ত বাংলার প্রথম জেলা যশোর সদরের দুই দুই বার নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান। যে কারণে শাহীন চাকলাদার জেলার মানুষের মনি কোঠায় জায়গা করে নিয়েছেন। জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে শাহীন চাকলাদার আর আওয়ামী লীগের নয়, সর্বস্তরের মানুষের নেতা হয়েছেন। কিন্তু শাহীন চাকলাদারের আশেপাশে থাকা কতিপয় ব্যক্তির কারণে তার সুনাম কিছুটা ক্ষুন্ন হচ্ছে বলে দলের অনেক নেতা মনে করেন।

তাদের কারণে দলীয় নেতাকর্মীরা শাহীন চাকলাদারের সাথে দেখা করতে পারেন না। বলতে পারেন না তাদের সুখ-দুখের কথা। শনিবার শাহীন চাকলাদারের কাঠালতলা অফিসে মতবিনিময় সভায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ একটি রাজনৈতিক দল। শান্তির দল, উন্নয়নের দল। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে যশোর উন্নয়নের জন্য কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন পূরণের পথে চলতে হবে। এছাড়া জামায়াত-শিবিরের হিংসাত্মক রাজনীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।

Print
1205 মোট পাঠক সংখ্যা 1 আজকের পাঠক সংখ্যা

About admin

Close