বেনাপোলের ওপারে পেট্রপোল বন্দরের কাজ সমাপ্ত

যশোর এক্সপ্রেস ডেস্ক: ভারতের আমদানি রফতানি গেট এবং ওয়্যারহাউজের কাজ সমাপ্ত হওয়ায়  চলতি মাসের যে কোন সময় উদ্ভোদন হতে যাচ্ছে  দু’দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের  নের্তৃত্বে । বাংলাদেশের সাথে ব্যাবসা বানিজ্য আরো সহজতর করার জন্য বেনাপোল চেকপোষ্টের ওপার ভারত সরকার গড়ে তুলেছে তাদের বন্দর ওয়্যারহাইজ। এবং নতুন এ বন্দরের কাজ শেষ হওয়ায় ভারত থেকে পন্য আমাদিন রফতানি হবে  নতুন এ সড়ক দিয়ে। এ আলোকে বাংলাদেশের সড়কের কাজ ও ইতিপুর্বে সমাপ্ত হয়েছে।

ভারতের চেকপোষ্টের একটি সুত্র জানায়  ৪২ হেক্টর জমির উপরে তৈরি ওই আধুনিক চেকপোস্ট এলাকাটি গড়ে উঠেছে । ল্যান্ডপোর্ট অথরিটির চেয়ারম্যানের আশা, চেকপোস্ট চালু হলে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যে আরও গতি আসবে। ট্রাক টার্মিনাল, এসি ওয়ার হাউজ, এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট জোনসহ আমদানি-রফতানি বাণিজ্য সহজ করার সবধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকছে ওই বন্দরে। উন্নয়ন কাজ শেষ হলে পেট্রাপোল এলসি স্টেশন আন্তর্জাতিক বাজারে আধুনিক বন্দরের পরিচিতি পাবে। এদিকে আধুনিকায়নের ফলে বাংলাদেশ থেকে পণ্য রফতানি কয়েক গুন বৃদ্ধি পাবে তেমনি আমদানিও বাড়বে কয়েকগুন বলে আশা করছেন বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা। সেইসঙ্গে পেট্রাপোল-বেনাপোল বন্দর দিয়ে ট্রানজিট সুবিধাও নেবে ভারত সরকার।

বেনাপোলের ওপার পেট্রপোল বন্দরের সিএন্ডএফ এ্যাসোসিয়েশন ওয়েলফেয়ারের নেতা কার্তিক চন্দ্র জানান, পেট্রপোল বন্দর উদ্ভোদন করবেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দপধ্যায় এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্টমন্ত্রী ও বাংলাদেশের পক্ষে থাকবেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল। তিনি আরো জানান, ভারত-বাংলাদেশ এর আমাদিন রফতানির যে সমস্যা ছিল সে স্বপ্ন এ বন্দর উদ্ভোদনের পর সমাধান হবে। অতি দ্রুত পন্য খালাশ এবং যানজট মুক্ত সম্পুর্ন ভিন্ন সড়ক দিয়ে বাংলাদেশ ভারতের পরিবহন গুলো চলাচল করবে বলে তিনি জানান।

বেনাপোল সিএন্ডএফ ব্যাবসায়ি এম এ মুন্নাফ খোকন বলেন বাংলাদেশের সাথে ভারত সরকার আমদানি রফতানি বানিজ্য সহজ করার জন্য এ পদক্ষেপ নেওয়ায় বেনাপোল বন্দর ব্যাবহার কারি সংগঠনগুলো স্বাগত জানিয়েছে। তিনি বলেন ভারতের পেট্রপোল বন্দরের সাথে বেনাপোল বন্দরের বিকল্প সড়ক ব্যাবহারের ফলে পন্য আমদানি রফতানি খালাশ সহ অন্যান্য কাজ দ্রুত হবে।

বেনাপোল ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি আজিম উদ্দিন গাজি বলেন , ভারত বাংলাদেশের বিকল্প সড়ক তৈরীতে যানজট সহ সকল অসুবিধার নিরসন থেকে মুক্তি পাবে ব্যবসায়িরা। বেনাপোল চেকপোষ্ট এলাকার ব্যাবসায়িরা জানায় এ সড়ক পথে আমদানি রফতানি হলে অনেক সহজতর হবে বলে ব্যাবসায়িরা আশাবাদি।

নির্ভরযোগ্য সুত্র জানায়, ভারত থেকে এর পর আমাদিন খরছ এর পরিবহন ভাড়া ও অনেকটা কমে যাবে। ভারতের অনেক রফতানি কারক তাদের পন্য বেনাপোল এর ওপারে পেট্রপোল বন্দরে কোলকাতা সহ বিভিন্ন প্রদেশ থেকে এনে ওয়্যারহাউজে রেখে পরে বাংলাদেশী আমদানিকারকদের ডেলিভারী দিলে কিছুটা সুবিধা পাবে বলে সুত্রটি দাবি করেন।

Print
1112 মোট পাঠক সংখ্যা 1 আজকের পাঠক সংখ্যা

About admin

Close