মদনমোহন কলেজের হীরকজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী

যশোর এক্সপ্রেস ডেস্ক: সিলেটের মদনমোহন কলেজের হীরকজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান। এর পর কলেজের শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি। সেখানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশকে নিরক্ষরমুক্ত করতে ৯৬ সালে পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। বিএনপি এসে সেসব পদক্ষেপ বন্ধ করে দিয়েছিল। এটা দুঃখজনক। আশা করি, আমরা শতভাগ নিরক্ষরমুক্ত করব।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘শিক্ষিত জাতি ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। সরকার তো কাজ করছেই। এর সাথে বিত্তবানরা যদি শিক্ষার প্রসারে এগিয়ে আসেন, তাহলে দ্রুতই দেশ নিরক্ষরমুক্ত হবে।’ ‘বিজ্ঞান শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষার দিকে নজর দিচ্ছি। বাংলাদেশে মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ছিলই না। আমরা প্রথম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় করেছি’, বলেন শেখ হাসিনা। হীরকজয়ন্তী মদনমোহন কলেজের প্রতিষ্ঠাতার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী হেসে বলেন, ‘একটা দাবি আসে এ কলেজ সরকারিকরণের। আমি বুঝি না, যেখানে আমাদের অর্থমন্ত্রী আছেন সেখানে সরকারিকরণের প্রয়োজন হয় কেন?’

সকাল ১১টা ৫৫ মিনিটে সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। পরে প্রধানমন্ত্রী ১২টা ২০ মিনিটের সময় হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার জিয়ারতে যান। সেখানে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।

হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজার জিয়ারত শেষে হযরত শাহপরান (রহ.) এর মাজার জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুপুর ১২টা ৫৭ মিনিটে তিনি জিয়ারতের জন্য শাহপরান মাজারে পৌঁছান। এর পরই তিনি যোগ দেন মদনমোহন কলেজের হীরকজয়ন্তী অনুষ্ঠানে। দুপুরে সিলেট আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থানীয় আওয়ামী লীগের আয়োজনে এক জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেয়ার কথা রয়েছে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার। জনসভা শুরুর আগে বেলা আড়াইটায় আলীয়া মাদরাসা মাঠেই বিভিন্ন প্রকল্পের ফলক উন্মোচনের আনুষ্ঠানিকতা সারবেন প্রধানমন্ত্রী।

Print
869 মোট পাঠক সংখ্যা 1 আজকের পাঠক সংখ্যা

About admin

Close