নাফ নদীতে ডুবে ৪ শিশুসহ যুবকের মৃত্যু

এক্সপ্রেস ডেস্ক: কক্সবাজারের টেকনাফ ও রামুতে পানিতে ডুবে চার শিশু ও এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে টেকনাফে ৩ জন ও রামুতে ২ জন মারা গেছে। শুক্রবার (২২ জুলাই) দুপুরে ও বিকেলে পৃথকভাবে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হচ্ছে- টেকনাফ পৌরসভার জালিয়াপাড়া গ্রামের আবদুল হাকীমের ছেলে আবদুর রহমান (৩৩), টেকনাফ হ্নীলা জুম্মাপাড়ার ইউছুপ জালালের ছেলে মোহাম্মদ ফারুক (৮), টেকনাফ হোয়াইক্যং কানজরপাড়ার একটি হেফজখানায় পড়ুয়া ছাত্র বায়েজিদ (১২), রামুর ঈদগড় পূর্ব রাজঘাটা গ্রামের মৃত মোহাম্মদ ইউছুপের মেয়ে ইসফা (৫) এবং একই গ্রামের মোহাম্মদ মিলনের ছেলে ইমা (৪)।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মজিদ স্থানীয় ও নিহতদের পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, পানিতে ডুবে দুই শিশুসহ ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে শুক্রবার দুপুরে টেকনাফ পৌরসভার জালিয়াপাড়া সংলগ্ন নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে ভেসে যায় আবদুর রহমান (৩৩)। পরে স্থানীয়রা তার লাশ উদ্ধার করে।

অপরদিকে, কেউড়া ফল আনতে গিয়ে হ্নীলার নাফ নদীতে পড়ে ভেসে যায় হেফজখানার ছাত্র ফারুক (৮)। পরে খোঁজাখুঁজি করে লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া বিকেল ৩ টার দিকে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কানজরপাড়া এলাকায় পুকুরে গোসল করতে নেমে ডুবে যায় বায়েজিদ (১২)। পরে মৃতদেহ ভেসে উঠলে পরিবারের লোকজন জানতে পারে।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নুরে আলম দ্বীন জানান, হাসপাতালে পৃথকভাবে তাদের আনার আগেই ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রভাষ চন্দ্র ধর নিহতের পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, ঈদগড়ে পুকুরে ডুবে ইসফা (৫) এবং ইমা (৪) নামে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৫ টার দিকে ঈদগড় ইউনিয়নের পূর্ব রাজঘাটা গ্রামে খেলার সময় পুকুরে পড়ে যায় ২ শিশু। দীর্ঘক্ষণ তাদের দেখা না পেয়ে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশিরা খোঁজাখুজির পর তাদের ভাসমান অবস্থায় পুকুরে দেখতে পায়। উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে ২ শিশুকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

Print
833 মোট পাঠক সংখ্যা 1 আজকের পাঠক সংখ্যা

About Jessore Express

Close