‘অন্ধকারে থাকা’ অর্থমন্ত্রী সাক্ষাত চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর

এক্সপ্রেস ডেস্ক: বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে টাকা পাচার হওয়ার ঘটনা নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের উপর প্রচন্ড ক্ষুব্ধ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার পরেই ব্যাংক ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবেন তিনি। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ৪ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কের বাংলাদেশ ব্যাংকের একাউন্ট থেকে ১০১ মিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ হ্যাকাররা চুরি করে। এই ঘটনার প্রায় দুই মাস পর চুরির বিষয়টি পত্রিকা পড়ে খবরটি জানতে পারেন অর্থমন্ত্রী।

সেদিন ছিলো ছুটির দিন, তাই অফিস খোলার পরই আসলে বাংলাদেশ থেকে তাকে বিষয়টি জানানো হয়। এতে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ অর্থমন্ত্রী। দুপুরে অর্থমন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে সেই ক্ষোভই প্রকাশ করলেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, ঘটনাটা ঘটেছে ৪ ফেব্রুয়ারি। ৬ তারিখ পর্যন্ত আমরা কিছু না জানতে পারি। কারণ ৪, ৫ ও ৬ তারিখ ছুটির দিন ছিলো। কিন্তু প্রায় দুই মাস পর আমরা জানলাম। বাংলাদেশের সেই অডাসিটি রয়েছে যে তারা এইসব কথা আমাদের কাছে গোপন রেখেছে। এই ব্যাপারে আমি অবশ্যই পদক্ষেপ নিবো।

অর্থমন্ত্রী এতটাই ক্ষুব্ধ যে তিনি এ জন্যই প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাত চেয়েছেন। বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ চেয়েছি। এরপরই হয়তো আগামীকাল আমি কোনো স্টেটমেন্টে দিবো। কিছু করতে চাই তাহলে তার অনুমতি নিয়েই করবো। তিনি আরো জানান, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে তাদের ভুলের কারণে অর্থপাচারের এই ঘটনা ঘটেনি। অর্থপাচারের ঘটনা উদঘাটনে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের সহায়তা চাওয়া হবে কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নিবে সরকার। এর আগে অর্থমন্ত্রী ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলার সঙ্গে বৈঠক করেন।

Print
563 মোট পাঠক সংখ্যা 1 আজকের পাঠক সংখ্যা

About admin

Close