মোহাম্মদ আলীকে ক্ষমা করলেন সাবেক স্ত্রীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কিংবদন্তী মুষ্টিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলীকে ক্ষমা করে দিয়েছেন তার সাবেক দুই স্ত্রী খলিলাহ ও ভেরোনিকা। শুক্রবার প্রকাশিত পিপল ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ রচনায় ওই দুই নারীর বক্তব্য প্রকাশিত হয়। বক্সিং রিংয়ে আলীর প্রবল শারিরীক শক্তিমত্তার কথা কিংবদন্তীতুল্য। প্রবল মানসিক শক্তি দিয়ে জীবনের শেষ দিনও লড়াই করেছেন পারকিনসন ডিজিজের সঙ্গেও। এই অসম্ভব শক্তিধর মানুষটির ছিল ‘একটিই দুর্বলতা’, যেজন্য একের পর এক তার বিয়ে ভেঙে যায়। মোহাম্মদ আলীর তৃতীয় স্ত্রী ভেরোনিকা (৬০) পিপল ম্যাগাজিনকে বলেন, যেসব নারী স্বেচ্ছার তার (আলী) সঙ্গে বিছানায় যেত, তিনি নির্দ্বিধায় তাদের গ্রহণ করতেন। কোনো প্রেম নয়, নিছক শরীরী সম্পর্ক এবং কেবল এক রাতের। ব্যাপারটা এতই স্পষ্ট যে, তাকে ক্ষমা করা যায়। মোহাম্মদ আলীর বিবাহ-বহির্ভূত যৌনতা এতই বেড়ে যায় যে, খলিলাহ ও ভেরোনিকা দু’জনই এক পর্যায়ে বিয়ে ভেঙে দিতে বাধ্য হন। খলিলাহ বিবাহবিচ্ছেদের স্মৃতিচারণ করে বলেন, কোনো দ্বন্দ্ব নয়, সংঘাত নয়, খুব স্বাভাবিকভাবেই আমরা পৃথক হয়ে যাই। আমি তো মনে করি, আমাদের পৃথক হয়ে যাওয়া থেকে অন্যদের অনেক কিছু শেখার আছে। বিচ্ছেদের পরও আমাদের একে অন্যের ওপর কোনো বিদ্বেষ ছিলো না। আমরা যখন খুশি আমাদের সন্তানদের সাথে দেখা করতে পারতাম। খলিলাহ আরো বলেন, আমাদের চমৎকার একটি জীবন ছিল, যদিও রোলার কোস্টারের মতো কিছুটা ওঠা-নামা ছিল। মোহাম্মদ আলী ছিল আমার স্বামী, আমার প্রথম প্রেম ও শ্রেষ্ঠ বন্ধু। ভেরোনিকা বলেন, তাকে ডিভোর্স করার জন্য আজ আমার নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছে। কারণ, আমি জানি এতে তিনি ভীষণ কষ্ট পেয়েছিলেন। আসলে আমরা উভয়ে একে অপরকে কষ্ট দিয়েছি। তারপরও আমি তাকে এখনো ভালোবাসি। উল্লেখ্য, মোহাম্মদ আলী সর্বশেষ বিয়ে করেন ১৯৮৬ সালে; ইয়োল্যান্ডা  লনি উইলিয়ামসকে। ইনি তার চতুর্থ স্ত্রী। এই স্ত্রী জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আলীর পাশের ছিলেন। আলীর সন্তানসংখ্যা ৯ জন। এদের মধ্যে দু’জন এমন দু’নারীর, যাদের সাথে আলীর বিয়ে হয়নি। এই ৯ সন্তানই মোহাম্মদ আলীর মৃত্যুশয্যায় তার পাশে ছিলেন। সূত্র : পিপল

Print
943 মোট পাঠক সংখ্যা 3 আজকের পাঠক সংখ্যা

About Jessore Express

Close