ঢাকার যুবককে বাঁচাতে রক্ত দিলেন মুম্বইবাসীরা

এক্সপ্রেস ডেস্ক: কাহানী সিনেমায় মিলন দামজির প্রাণ বাঁচাতে দরকার হয়েছিল বিরল বম্বে ব্লাড গ্রুপের রক্ত। সিনেমার গল্পে গঙ্গাপারের একবালপুরেই পাওয়া গিয়েছিল পাওয়া গিয়েছিল সেই বিরল গোত্রের রক্ত। বাস্তবে বিষয়টি সেইরকম হল না। ঢাকার মহম্মদ কামরুজ্জামানের জন্য বাংলাদেশের কোনও প্রান্তে মেলেনি ওই বিরল শ্রেণীর রক্ত। অবশেষে একটি মুম্বই থেকে ঢাকায় পাঠানো হয় বম্বে ব্লাড গ্রুপের রক্ত।চলতি বছরের ২১শে মে একটি দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছিলেন মহম্মদ কামরুজ্জামান। ২৫ বছরের ওই যুবকের জীবন বাঁচাতে দরকার ছিল বিরল বম্বে ব্লাড গ্রুপের রক্ত। রোগীর বোনের শরীরে ওই শ্রেণীর রক্ত থাকলেও বয়স অল্প হওয়ায় তা নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারীর এহেন জীবন-মরণ সমস্যায় দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন পরিজনেরা। বাংলাদেশে নিরাশ হয়ে গঙ্গাপারের কলকাতায় খোঁজ নেওয়া শুরু করেন রোগীর আত্মীয়েরা। অবশেষে আরব সাগরের তীরে মুম্বই শহরের এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এগিয়ে আসে পদ্মাপারের কামরুজ্জামানের সাহায্যার্থে। থিঙ্ক ফাউন্ডেশন নামক ওই সংস্থার তরফ থেকে স্বপ্না সাবন্ত, কৃষ্ণানন্দ কোরি, মেহুল ভেলেকর এবং প্রবীণ শিন্দে এই চার ব্যক্তি রক্ত দান করেন কামরুজ্জমানের প্রাণ বাঁচাতে। শনিবার রাতেই বাংলাদেশগামী বিমানে ঢাকায় পৌঁছে যায় মুম্বইয়ের সেই বিশেষ শ্রেণীর রক্ত। রবিবার অস্ত্রোপচারের পর এখন বিপদ সীমার বাইরে আছেন মহম্মদ কামরুজ্জামান।

Print
1035 মোট পাঠক সংখ্যা 1 আজকের পাঠক সংখ্যা

About Jessore Express

Close